ভাবি ও আমরা পাশাপাশি বিল্ডিংয়ে থাকি। আমরাও তিন তলায়, ওই পাশের বিল্ডিংয়ে ভাবিরাও তিন তলায় থাকে। আমাদের দু’টো বিল্ডিংয়ের গেটও আবার পাশাপাশি। তাই খুব কাছের প্রতিবেশিই বলতে হয়।
আমার ঘরের জানালার একেবারে পাশেই ভাবির বেডরুমের বারান্দা। ভাবির সঙ্গে পরিচয় খুব বেশিদিনের নয়।
ভাবির স্বামী বিদেশে থাকে। গত ৭ বছরে ৩ বার ঢাকা এসেছে। সর্বশেষ ভাবীর স্বামী যখন ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এখানে আসেন, তখন বাড়ির নিচের রাস্তায় তার সঙ্গে পরিচয় হয়। ঘটনাচক্রে তার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে আমাদের থানায় এবং তার দুলাভাই আমাদের পরিচিত। এভাবে তিনি ২০/২৫দিন দেশে থাকা অবস্থাতেই আমি ও ভাবির স্বামী একে অপরের বাসায় যাতায়াত শুরু করি। এভাবেই ভাবির সঙ্গেও পরিচয়।
ভাবির স্বামীর মা ও অবসরপ্রাপ্ত বাবা ওই বাসায় থাকেন। বাড়িটিও তাদের নিজের করা।
ভাবির স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর বারান্দা দিয়ে ভাবির সঙ্গে প্রথমদিকে হালকা হাসি বিনিময় হতো। এভাবে কয়েকদিন চলার পর রাতে ইশারা-ইঙ্গিত ও ফিসফিসিয়ে কথা বলা চলে।
এরপর একরাতে সাহস করে দুই বিল্ডিংয়ের দেওয়াল টপকে ভাবির বাসায় চলে যাই। ভাবি আগে থেকেই তাদের ফাটের দরজা খুলে রাখে।
কিছুদিন ধরে সারারাত শুধু গল্প করেই কাটাতাম। এপ্রিল মাসের দিকে ঘটনাগুলো আর গল্পের মধ্যে থাকতো না। যা হওয়ার আশা করেছিলাম, তাই করা শুরু হলো।
প্রথমদিকে শুধু ভাবির দুধ টেপা চলতো। পরে আস্তে আস্তে চোদাচুদিতে গিয়ে ঠেকলো।
২০০৭ সালে বিয়ে হওয়া ভাবির দুধ এতোদিনে একটু ঝুলে গেছে। তবে ঝোলা দুধ টিপতে এতো মজা, আপনাদের বোঝাতে পারবো না। ভাবির ভোদাও খুব টাইট নয়, শুধু ভোদার মুখটা একটু টাইট। তবে ভোদায় ধোন ঠেকানোর পর ভোদায় এতো রস আসে, যা বলে বোঝাতে পারবো না। ভাবিকে চোদা শুরু করার পর আমার নিজের প্রেমিকাকে আর ভাল লাগে না। এখন শুধুই ভাবিকে চুদে যেতে ইচ্ছে করে।
ধীরে ধীরে ভাবিকে নানাভাবে ছলছুতো করে ছবি তোলা শুরু করলাম। ভাবির শুয়ে থাকা ও আমার ধোন চোষাসহ চোদাচুদির ছবি তুললাম। একা একা ছবি তোলাও বিরক্তিকর। তাও কিছু ছবি তুলি।
ছবি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি।
আমার ঘরের জানালার একেবারে পাশেই ভাবির বেডরুমের বারান্দা। ভাবির সঙ্গে পরিচয় খুব বেশিদিনের নয়।
ভাবির স্বামী বিদেশে থাকে। গত ৭ বছরে ৩ বার ঢাকা এসেছে। সর্বশেষ ভাবীর স্বামী যখন ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এখানে আসেন, তখন বাড়ির নিচের রাস্তায় তার সঙ্গে পরিচয় হয়। ঘটনাচক্রে তার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে আমাদের থানায় এবং তার দুলাভাই আমাদের পরিচিত। এভাবে তিনি ২০/২৫দিন দেশে থাকা অবস্থাতেই আমি ও ভাবির স্বামী একে অপরের বাসায় যাতায়াত শুরু করি। এভাবেই ভাবির সঙ্গেও পরিচয়।
ভাবির স্বামীর মা ও অবসরপ্রাপ্ত বাবা ওই বাসায় থাকেন। বাড়িটিও তাদের নিজের করা।
ভাবির স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর বারান্দা দিয়ে ভাবির সঙ্গে প্রথমদিকে হালকা হাসি বিনিময় হতো। এভাবে কয়েকদিন চলার পর রাতে ইশারা-ইঙ্গিত ও ফিসফিসিয়ে কথা বলা চলে।
এরপর একরাতে সাহস করে দুই বিল্ডিংয়ের দেওয়াল টপকে ভাবির বাসায় চলে যাই। ভাবি আগে থেকেই তাদের ফাটের দরজা খুলে রাখে।
কিছুদিন ধরে সারারাত শুধু গল্প করেই কাটাতাম। এপ্রিল মাসের দিকে ঘটনাগুলো আর গল্পের মধ্যে থাকতো না। যা হওয়ার আশা করেছিলাম, তাই করা শুরু হলো।
প্রথমদিকে শুধু ভাবির দুধ টেপা চলতো। পরে আস্তে আস্তে চোদাচুদিতে গিয়ে ঠেকলো।
২০০৭ সালে বিয়ে হওয়া ভাবির দুধ এতোদিনে একটু ঝুলে গেছে। তবে ঝোলা দুধ টিপতে এতো মজা, আপনাদের বোঝাতে পারবো না। ভাবির ভোদাও খুব টাইট নয়, শুধু ভোদার মুখটা একটু টাইট। তবে ভোদায় ধোন ঠেকানোর পর ভোদায় এতো রস আসে, যা বলে বোঝাতে পারবো না। ভাবিকে চোদা শুরু করার পর আমার নিজের প্রেমিকাকে আর ভাল লাগে না। এখন শুধুই ভাবিকে চুদে যেতে ইচ্ছে করে।
ধীরে ধীরে ভাবিকে নানাভাবে ছলছুতো করে ছবি তোলা শুরু করলাম। ভাবির শুয়ে থাকা ও আমার ধোন চোষাসহ চোদাচুদির ছবি তুললাম। একা একা ছবি তোলাও বিরক্তিকর। তাও কিছু ছবি তুলি।
ছবি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি।
No comments:
Post a Comment